জোছনাকুমারী ও অন্যান্য কবিতা
জোছনাকুমারী
এই জোছনা রাতে কাব্য লিখতে বসেছি বলে-
তুমি যেওনা চলে।
ভুল যদি হয়ে যায় কোন অপরাধ মস্ত বড়,
তবুও তোমার দুহাত প্রশস্ত করে জড়িয়ে রাখো গো প্রেয়সী।
তুমি হীনা কাব্য কি পাবে সম্পূর্ণতা?
এই আলোকিত রজনী হাতছানি দেয়,
যেন এতে রয়েছে আকূল নিবেদন।
চাঁদের দেশে বুঝি আজ লেগেছে হাট,
তাই তার আলোতে মোরা দুজন করবো মাখামাখি,
চাঁদের আলোতে ভিজব দুজনে, হাতেতে রেখে হাত।
তোমারই স্পর্শ এ হৃদয়ের অন্তস্থঃতল করবে আলোরিত,
তুমি কি হবে,হবে আজ নিশিতে আমার চাঁদ কুমারী?
তুমি; আমি, আমরা দুজনে নিভৃতচারী হব,
সকল দুঃখ – বেদনা ভুলে অন্য জগতে রব।
স্নিগ্ধ বাতাস বয়ে যায় যদি উড়বে তোমার কেশ,
দৃশ্যরূপ তখন লাগবে যে অাঁখিতে প্রচুর বেশ।
তাই তো বলি হে জোছনাকুমারী! যেওনা আমায় একলা করে,
হতেও পারে শোকে কাতর হয়ে– যেতেও পারি মরে।
হাস্নাহেনা
তোমার স্নিগ্ধ হাসি যেন হাস্নাহেনা,
শান্ত নয়ন লেক বৈকাল—
যার গভীরতায় আমি ডুবি —
সকাল-বিকেল।
তোমার ওষ্ঠধারা যেন অগ্নিস্ফুলিঙ্গ— ঝলসে দেবে সব কিছু,
তবুও কভু ছাড়ছিনে তোমার পিছু!
আমি কবি, তুমি তবে কবিতা,
তুমি খেয়া, আমি তবে —মাঝি।